Thursday, October 29, 2009

২০০ ফ্রি বাংলা ইউনিকোড ফন্ট ডাউনলোড করুন ।

সম্প্রতি ভারত সরকারের যোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের দ্বারা প্রকাশিত বাংলা সফটওয়্যারের সিডিতে বেশ কিছু বাংলা ইউনিকোড ফন্ট পেলাম । এর মধ্যে বেশ কিছু ফন্টের কোয়ালিটি খারাপ এবং নানা রকমের সমস্যা থাকলেও অনেক ফন্টই বেশ ভালো এবং ব্যবহার যোগ্য । তাই ফন্টগুলি আপনাদের সাথে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না । ফন্টগুলির লাইসেন্সের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য আমার কাছে নেই তবে যে সিডি থেকে নেওয়া সেটি বিনামূল্যে বিতরন করা হয় । তাই কমার্শিয়াল ব্যবহারের ব্যাপারে সাবধান ।

ডাউনলোড লিঙ্ক - ক্লিক করুন এখানে

আরও জানুন:
http://ildc.gov.in
http://ildc.in
http://cdac.in

Saturday, May 30, 2009

পাল্টা হাওয়া

ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি দেওয়ালে কাস্তে হাতুড়ি তারা দেওয়া চিহ্ণ এবং লেখা সিপিআইএম প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করুন । আর তারপর সিপিআইএমই ভোটে জেতে । শুধু জেতে নয় বিপুল ভোটে জেতে । কি করে এভাবে বছরের পর বছর সিপিএম ভোটে জিতে আসে সেটা একটা রহস্য বলে মনে হত । কি লোকসভা কি বিধানসভা সবেতেই সিপিএমের জয়জয়কার । আমার শহরে ছোটবেলায় মনে আছে পৌরসভা কংগ্রেসের দখলে ছিল কিন্তু কিছু বছরের মধ্যেই সিপিএম সেটা দখল করল এবং শুধু দখল করা নয় তাকে তারা পরিণত করল বিরোধী শূন্য পৌরসভাতে । অধিকাংশ স্কুল, কলেজ, লাইব্রেরী, পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ সবই সিপিএম বা বামফ্রন্টের দখলে । দেওয়ালে দেওয়ালে লেখা বামফ্রন্টের বিকল্প শুধু উন্নততর বামফ্রন্ট ।

কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সিপিএমের এই সাফল্যের কারন কি ? তারা কি পশ্চিমবঙ্গকে কোনো স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছিল যে তাতে মানুষ এত খুশি হয়ে দীর্ঘসময় ধরে তাদের বিপুল ভোটে জিতিয়ে ক্ষমতায় রেখে দিয়েছিল । বরং বলা যায় সিপিএমের রাজত্বে পশ্চিমবঙ্গের অবনতি বেশি হয়েছে । বহু কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে । শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে পার্টির ক্যাডার বসিয়ে সেগুলির সর্বনাশ করা হয়েছে । যেখানে সেখানে হকার বসিয়ে স্টেশন রাস্তাঘাটকে বাজারে পরিণত করা হয়েছে । প্রোমোটারদের বেআইনী নির্মানে সহযোগিতা করা হয়েছে । পরিবহনকে চূড়ান্ত অব্যবস্হার মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে । যেখানে সেখানে গজিয়ে উঠেছে দেশি মদ আর চুল্লুর ঠেক । কথায় কথায় রাস্তা অবরোধ আর বনধ । পশ্চিমবঙ্গ এমন একটি জায়গা যেখানে সরকারী মদতে বনধ পালিত হয় । প্রশাসন সব দেখেও কানা মামা হয়ে বসে থাকে। যেসমস্ত সৎ পুলিশ আর সরকারী অফিসার কিছু কাজ করতে চেয়েছেন তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ।

১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরে বামফ্রন্ট গ্রামাঞ্চলে কিছু কাজ করেছিল । কংগ্রেস ছিল বড়লোকদের দল । সেই সময়ে জমিদারদের কাছ থেকে জমি নিয়ে তারা সাধারন কৃষকদের ভিতরে কিছু বিলিবন্দোবস্ত করেছিল। এছাড়াও গ্রামের উন্নতিও তারা কিছুকিছু করেছিল বলে মনে করা হয় । এই অবস্থা ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত চলে । ১৯৮৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ইন্দিরা গান্ধী নিহত হওয়ায় প্রবল ইন্দিরা হাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস ১৬টি লোকসভা আসনে বিজয়ী হয় । সেই সময়েই সিপিএমের টনক নড়ে । তারা বুঝতে পারে যে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তাদের পক্ষে ক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব নাও হতে পারে । তাই তারা নির্বাচন প্রক্রিয়াতে জল মেশাতে শুরু করে । তাদের জল মেশানো শুরুর হয় ভোটার তালিকা তৈরি থেকে । ভোটার তালিকায় ভুয়ো ভোটার ঢোকানো হয় । এছাড়া যারা সিপিএম বিরোধী তাদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া শুরু হয় । এরপর মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোটকেন্দ্রে আসতে না দেওয়া, ভোটের সময়ে বুথজ্যামকরা এবং পুলিশ প্রশাসনকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা । তার উপরে সর্বোপরি ছিল ফলস ভোট এবং ছাপ্পা ভোট দেওয়া । যে সমস্ত মানুষেরা বাইরে থাকার জন্য ভোট দিতে আসতে পারবেন না তাঁদের তালিকা তৈরি করে তাদের ভোট দিয়ে দেওয়া হত । বিভিন্ন বয়েসী ক্যাডাররা যাদের মধ্যে পুরুষ এবং মহিলা উভয়ই ছিল তারা এই কাজগুলি পেশাদারী দক্ষতায় সম্পন্ন করত । অনেকেই ভোট দিতে গিয়ে ফিরে আসতেন । তাঁদের বলা হত ‘ভোট পড়ে গেছে’ । এবং এখানেই শেষ নয় ভোট গণনার সময়েও তারা নানা রকম কারচুপি করতে থাকে ।

যত দূরের গ্রাম হবে এই জালিয়াতির পরিমানও তত বেশি হবে । প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে দেখা যেত ভোট পড়ার হার সবচেয়ে বেশী । কারন এখানে ছাপ্পা ভোটের পরিমান সবচেয়ে বেশি হত । তাই কলকাতার কিছু কিছু জায়গায় সিপিএম ভোটে হারলেও জেলাগুলিতে তাদের জয়জয়কার সবসময়েই অক্ষুন্ন থাকত । তবে উত্তরবঙ্গের কিছু কিছু জায়গা যেমন মালদায় কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি থাকায় সেখানে কংগ্রেস বিজয়ী হত ।

অবস্থা দেখে মনে হত সিপিএমকে হারানো মনে হয় সম্ভব নয় । তার উপরে বিরোধীরা নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠীদন্দ্ব নিয়েই ব্যস্ত । ফলে সিপিএমের পোয়াবারো । এত কিছুর পরেও কিছু সাধারন মানুষের সমর্থন তাদের সাথে ছিল সে কথা স্বীকার করতেই হবে । না হলে এতবড় সংগঠন চালানো তাদের পক্ষে সম্ভব হত না । কিন্তু বহু বছর ক্ষমতায় দখলকরে রাখার পর তারা নৈতিক অধ:পতনের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌছেছিল ।

জ্যোতি বসু পশ্চিমবঙ্গের সর্বনাশ করলেও তিনি দক্ষ রাজনীতিবিদ হওয়ার ফলে নানা ভাবে বহু সমস্যা পাশ কাটিয়ে গিয়েছিলেন । অন্তত তাঁর রাজনৈতিক বুদ্ধির অভাব ছিল না । আর প্রশাসনকে দক্ষভাবে তিনি চালাতেও জানতেন । কিন্তু তাঁর অবসর নেওয়ার পর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আমলে সিপিএম নানা বিষয়ে নাস্তানাবুদ হতে থাকে । রিজওয়ানুর হত্যা মামলা, সিঙ্গুর এবং নন্দীগ্রাম বিষয়ে সরকার জোর ধাক্কা খায় । তাদের ধারনা ছিল মেকি শিল্পায়নের টোপ দেখিয়ে রাজ্যবাসীকে তারা বোকা বানাবে । কিন্তু যে রাজ্যে পঞ্চাশ হাজারের উপর ছোটবড় কারখানা বন্ধ সেখানে একটি দুটি নতুন কারখানার কলা দেখিয়ে যে নির্বাচনী বৈতরনী পার করা যাবে না তা তারা বুঝতে পারেনি ।
২০০৯ এর লোকসভা নির্বাচনে অনেকের ধারনা ছিল জমি অধিগ্রহন বির্তকের ফলে গ্রামাঞ্চলে বামফ্রন্টের জনপ্রিয়তা কমেছে তাই হয়ত গ্রামের তাদের ফল খারাপ হবে কিন্তু শহরাঞ্চলের মানুষ যাঁদের কৃষিজমির উপর নির্ভরশীলতা কম তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের মা মাটি মানুষের আন্দোলনকে প্রত্যাখ্যান করবেন । কিন্তু লোকসভার ভোটের ফল বেরোতে দেখা গেল সম্পূর্ণ অন্য গল্প । গ্রামাঞ্চলে তৃণমূলের ফল তো ভালোই আর শহরাঞ্চলে শুধু তাদেরই জয়জয়কার । কলকাতা এবং তার আশেপাশের প্রায় সমস্ত জায়গায় সিপিএম ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেছে । সিপিএম পার্টি তার জন্মলগ্ন থেকে এত বড় ধাক্কা আর খায়নি । বহু আসনেই তারা বিপুল ভোটে পরাজিত । আর যে আসনগুলিতে তারা জিতেছে সেখানেও তাদের মার্জিন ব্যপকভাবে কমেছে । আর তারা যদি ভোটে জালিয়াতি না করত তাহলে তাদের ফল যে আরো খারাপ হত তাতে কোন সন্দেহ নেই ।

এবারের ভোটে জেতার জন্য সিপিএমের নেতারা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলেন । পাবলিসিটির প্লাবনে ভেসে গিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ । বড় বড় ফ্লেক্স হোর্ডিং-এ ঢেকে দেওয়া হয়েছিল রাস্তাঘাট । উত্তর কলকাতা কেন্দ্রের প্রার্থী মহম্মদ সেলিমের জয় হো হোর্ডিংগুলি সিপিএম পার্টি থেকেই সরিয়ে নিতে বলা হয়েছিল । কারন এখানে দল থেকে প্রার্থীকে বড় করে দেখানো হয়েছিল । কিন্তু পার্টির আপত্তি সত্ত্বেও হোর্ডিংগুলি খোলা হয়নি । এছাড়াও মহম্মদ সেলিমকে হনুমান মন্দিরে গিয়ে চরণমৃত সেবন করতেও দেখা যায় । তখনই বোঝা গিয়েছিল যে কমিউনিস্ট নাস্তিকদের তাদের আদর্শের প্রতি আর কোন বিশ্বাস নেই । যেকোন উপায়ে তাদের ক্ষমতা দখল করতেই হবে ।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যদি কোন পার্টি দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকে (আমার মতে দশ বছর বা তার বেশি) তাহলে তাদের মধ্যে দুর্নীতি ঢুকতে বাধ্য । তাই সিপিএমের এই পরিণতি স্বাভাবিক । দুবছর পরে ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার ভোট । সেখানে হবে চূড়ান্ত পরীক্ষা । সিপিএম এবং বামফ্রন্টের অবস্থা যতই খারাপ হোক তারা অত সহজে যে হার মানবে না তা পরিষ্কার । আর বিরোধীদের পালে এখন হাওয়া । বত্রিশ বছরের মধ্যে এই প্রথম তারা বিধানসভায় জেতার স্বপ্ন দেখতে আরম্ভ করেছেন। আর অনেকেই স্বীকার করছেন যে সেটা সম্ভব । এটা অনেকটাই নির্ভর করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর । রাজনৈতিক অদূরদর্শীতার জন্য তিনি খ্যাত । কিন্তু এখন তিনিও অনেক পরিণত । কেন্দ্রীয় সরকারের খুব গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তিনি রয়েছেন । এই মূহূর্তে তাঁর এবং তাঁর দলের ভালো কাজ তাঁকে আরো অনেকটাই এগিয়ে দিতে পারে ।

Sunday, April 26, 2009

সম্প্রতি যে যে সিনেমা দেখলাম

১. দ্য মোটরসাইকেল ডায়ারিজ
আর্জেন্টিনার ছবি । দুই বন্ধুর একসাথে দক্ষিন আমেরিকা মহাদেশ ভ্রমনের কাহিনী । এবং ঘুরতে ঘুরতে তাদের জীবন পরিবর্তনের কাহিনী । অসাধারন ছবি । সত্য ঘটনা অবলম্বনে এই ছবি কাদের নিয়ে তৈরি এখানে লিখছি না । দেখলে জানতে পারবেন ।

২. ওং বাক টু
থাইল্যান্ডের ছবি । টনি জা পরিচালিত এবং অভিনীত দারুন অ্যাকশন মুভি । ছবির গল্পটা খুব একটা জোরালো নয় তবে মার্শাল আর্টকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে । এত ভাল অ্যাকশন অন্য কোন ছবিতে দেখেছি বলে মনে করতে পারছি না ।

৩. নাউহিয়ার ইন আফ্রিকা
জার্মান চলচ্চিত্র । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে এক ইহুদী পরিবারের জার্মানী থেকে পালিয়ে এসে কেনিয়াতে বসবাসের কাহিনী । অবশ্যই দেখা উচিত ।

৪. ডাউনফল
জার্মান চলচ্চিত্র । হিটলারের জীবনের শেষ কয়েকদিনের কাহিনী । অত্যন্ত যত্ন এবং রিসার্চের পর ছবিটি তৈরি করা হয়েছে ।

৫. আন্ডারগ্রাউন্ড
সার্বো ক্রোয়েশিয়ান ছবি । দুই বন্ধুর কাহিনী যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু হয়ে নব্বইয়ের দশকে যুগোস্লাভিয়ার গৃহযুদ্ধ পর্যন্ত বিস্তৃত । পারস্পরিক বিশ্বাস অবিশ্বাস, প্রতারনার কাহিনী ।

৬. আমেলি
ফরাসি চলচ্চিত্র । এক ইন্ট্রোভার্ট মেয়ের কাহিনী যে অন্যদের জীবনকে বদলে দিতে চায় । অসাধারন মেকিং । দেখা দরকার ।

৭. দ্য হোয়াইট শেখ
ইটালিয়ান চলচ্চিত্র । পরিচালনা ফেলিনি । এটা ছিল ফেলিনি পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র । এক গোবেচারা স্বামীর গল্প যে তার সদ্য বিবাহিতা স্ত্রীকে নিয়ে রোমে আসে তার আত্মীয়দের সাথে দেখা করানোর জন্য । কিন্তু তার আগেই তার বউ নিরুদ্দেশ হয় । স্বামী পড়ে বেজায় বিপদে । আত্মীয়দের কাছে আর মুখ দেখানোর জো থাকে না । ফেলিনির অসাধারন পরিচালনা আর কমেডি এই ছবির সম্পদ ।

৮. অবচোদ না করজে ইংরেজিতে দ্য শপ অন মেন স্ট্রীট
স্লোভাক ছবি । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ইহুদী উৎখাতের মর্মস্পর্শী কাহিনী ।

৯. সিটি অফ গড
ব্রাজিলিয়ান চলচ্চিত্র । রিও ডি জেনিরোর কাছেই এক বস্তির ভয়াবহ কাহিনী । সেখানকার বাচ্চারা ছোট থেকেই খুন খারাপিতে মেতে ওটে । ড্রাগ ব্যবসা সহ বহু অপরাধ সংগঠিত হয় আর চলে গ্যাং ওয়ার । এর মধ্যেই এক ফটোগ্রাফারের বেড়ে ওঠা । সিনেমা কিভাবে বাস্তবকে আঁকড়ে ধরতে পারে এই ছবি তার প্রমান ।

১০. দ্য ভার্জিন স্প্রিং
ইংমার বার্গম্যান পরিচালিত ১৯৬০ সালের সুইডিশ ছবি । বার্গম্যানের ঈশ্বরে বিশ্বাস অবিশ্বাসের টানাপোড়েন নিয়ে অন্যতম চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে একটি ।

১১. দ্য কিউরিয়াস কেস অফ বেঞ্জামিন বাটন
আমেরিকান চলচ্চিত্র । তেরোটি একাডেমি অ্যওয়ার্ডের নমিনেশন পেয়ে মাত্র তিনটি সাধারন বিভাগে জিততে পেরেছে । আমার দেখা অন্যতম সেরা ছবি । ব্র্যাড পিটের অভিনয় অসাধারন । জীবনের সেরা অভিনয় করেছেন তিনি । এই ছবিটি এমন একজন মানুষের জীবন কাহিনী নিয়ে যার জীবন উলটোদিকে প্রবাহিত হয় অর্থাৎ বৃদ্ধত্ব থেকে শৈশবের দিকে । যাঁরা ফরেস্ট গাম্পের মত ছবি ভালবাসেন তাঁদের অবশ্যই দেখতে হবে এই ছবি ।

১২. গুডবাই লেনিন!
জার্মান চলচ্চিত্র । পূর্ব জার্মানির পতন এবং তারই সাথে জড়িয়ে যায় এক পরিবারের জীবনকাহিনী । নব্বই দশকের শুরুতে কমিউনিস্ট আদর্শের প্রতি দায়বদ্ধ এক মার কোমায় থাকার সময়ে পতন ঘটে কমিউনিজমের । তার জ্ঞান ফেরার পরে তার ছেলেমেয়েরা তাকে জানতে দিতে চায়না দেশের প্রকৃত অবস্থা । কারন তাতে তাদের মার শক পেয়ে মৃত্যু হতে পারে । আশির দশকের শেষে সারা পৃথিবীব্যাপী কমিউনিজমের পতনের অন্যতম দলিল এই ছবি ।

Friday, November 14, 2008

বাংলা যুক্তবর্ণের তালিকা


যুক্তবর্ণ বলতে একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণের সমষ্টিকে বোঝানো হয়েছে। বাংলা লিখনপদ্ধতিতে যুক্তবর্ণের একটি বিশেষ স্থান আছে। এগুলি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উপাদান বর্ণগুলির চেয়ে দেখতে ভিন্ন, ফলে নতুন শিক্ষার্থীর এগুলি লেখা আয়ত্ত করতে সময়ের প্রয়োজন হয়।

যুক্তবর্ণগুলি বাংলা লিখন পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য। উচ্চারিত ধ্বনির সাথে এগুলির উপাদান ব্যঞ্জনবর্ণের নির্দেশিত ধ্বনির সবসময় সরাসরি সম্পর্ক না-ও থাকতে পারে। যেমন - পক্ব -এর উচ্চারণ পক্‌কো; বানানে ব-ফলা থাকলেও উচ্চারণে ব ধ্বনিটি অনুপস্থিত। রুক্ষ-এর উচ্চারণ রুক্‌খো; বানানের নিয়ম অনুযায়ী ক্ষ যুক্তবর্ণটি ক ও ষ-এর যুক্তরূপ হলেও উচ্চারণ হয় ক্‌খ। বানান ও ধ্বনির এই অনিয়মও শিক্ষার্থীর জন্য যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহারে একটি বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

নিচের যুক্তবর্ণের তালিকাটি বাংলা সঠিকভাবে লিখতে সহায়ক হতে পারে। এখানে বাংলায় ব্যবহৃত ২৮৫টি যুক্তবর্ণ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে কোন যুক্তবর্ণ সম্ভবত বাংলায় প্রচলিত নয়।




1. ক্ক = ক + ক; যেমন- আক্কেল, টেক্কা
2. ক্ট = ক + ট; যেমন- ডক্টর (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
3. ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন- অক্ট্রয়
4. ক্ত = ক + ত; যেমন- রক্ত
5. ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন- বক্ত্র
6. ক্ব = ক + ব; যেমন- পক্ব, ক্বণ
7. ক্ম = ক + ম; যেমন- রুক্মিণী
8. ক্য = ক + য; যেমন- বাক্য
9. ক্র = ক + র; যেমন- চক্র
10. ক্ল = ক + ল; যেমন- ক্লান্তি
11. ক্ষ = ক + ষ; যেমন- পক্ষ
12. ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন- তীক্ষ্ণ
13. ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন- ইক্ষ্বাকু
14. ক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন- লক্ষ্মী
15. ক্ষ্ম্য = ক + ষ + ম + য; যেমন- সৌক্ষ্ম্য
16. ক্ষ্য = ক + ষ + য; যেমন- লক্ষ্য
17. ক্স = ক + স; যেমন- বাক্স
18. খ্য = খ + য; যেমন- সখ্য
19. খ্র = খ+ র যেমন; যেমন- খ্রিস্টান
20. গ্‌ণ = গ + ণ; যেমন - রুগ্‌ণ
21. গ্ধ = গ + ধ; যেমন- মুগ্ধ
22. গ্ধ্য = গ + ধ + য; যেমন- বৈদগ্ধ্য
23. গ্ধ্র = গ + ধ + র; যেমন- দোগ্ধ্রী
24. গ্ন = গ + ন; যেমন- ভগ্ন
25. গ্ন্য = গ + ন + য; যেমন- অগ্ন্যাস্ত্র, অগ্ন্যুৎপাত, অগ্ন্যাশয়
26. গ্ব = গ + ব; যেমন- দিগ্বিজয়ী
27. গ্ম = গ + ম; যেমন- যুগ্ম
28. গ্য = গ + য; যেমন- ভাগ্য
29. গ্র = গ + র; যেমন- গ্রাম
30. গ্র্য = গ + র + য; যেমন- ঐকাগ্র্য, সামগ্র্য, গ্র্যাজুয়েট
31. গ্ল = গ + ল; যেমন- গ্লানি
32. ঘ্ন = ঘ + ন; যেমন- কৃতঘ্ন
33. ঘ্য = ঘ + য; যেমন- অশ্লাঘ্য
34. ঘ্র = ঘ + র; যেমন- ঘ্রাণ
35. ঙ্ক = ঙ + ক; যেমন- অঙ্ক
36. ঙ্‌ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন- পঙ্‌ক্তি
37. ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন- অঙ্ক্য
38. ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন- আকাঙ্ক্ষা
39. ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন- শঙ্খ
40. ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন- অঙ্গ
41. ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন- ব্যঙ্গ্যার্থ, ব্যঙ্গ্যোক্তি
42. ঙ্ঘ = ঙ + ঘ; যেমন- সঙ্ঘ
43. ঙ্ঘ্য = ঙ + ঘ + য; যেমন- দুর্লঙ্ঘ্য
44. ঙ্ঘ্র = ঙ + ঘ + র; যেমন- অঙ্ঘ্রি
45. ঙ্ম = ঙ + ম; যেমন- বাঙ্ময়
46. চ্চ = চ + চ; যেমন- বাচ্চা
47. চ্ছ = চ + ছ; যেমন- ইচ্ছা
48. চ্ছ্ব = চ + ছ + ব; যেমন- জলোচ্ছ্বাস
49. চ্ছ্র = চ + ছ + র; যেমন- উচ্ছ্রায়
50. চ্ঞ = চ + ঞ; যেমন- যাচ্ঞা
51. চ্ব = চ + ব; যেমন- চ্বী
52. চ্য = চ + য; যেমন- প্রাচ্য
53. জ্জ = জ + জ; যেমন- বিপজ্জনক
54. জ্জ্ব = জ + জ + ব; যেমন- উজ্জ্বল
55. জ্ঝ = জ + ঝ; যেমন- কুজ্ঝটিকা
56. জ্ঞ = জ + ঞ; যেমন- জ্ঞান
57. জ্ব = জ + ব; যেমন- জ্বর
58. জ্য = জ + য; যেমন- রাজ্য
59. জ্র = জ + র; যেমন- বজ্র
60. ঞ্চ = ঞ + চ; যেমন- অঞ্চল
61. ঞ্ছ = ঞ + ছ; যেমন- লাঞ্ছনা
62. ঞ্জ = ঞ + জ; যেমন- কুঞ্জ
63. ঞ্ঝ = ঞ + ঝ; যেমন- ঝঞ্ঝা
64. ট্ট = ট + ট; যেমন- চট্টগ্রাম
65. ট্ব = ট + ব; যেমন- খট্বা
66. ট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল
67. ট্য = ট + য; যেমন- নাট্য
68. ট্র = ট + র; যেমন- ট্রেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
69. ড্ড = ড + ড; যেমন- আড্ডা
70. ড্ব = ড + ব; যেমন- অন্ড্বান
71. ড্য = ড + য; যেমন- জাড্য
72. ড্র = ড + র; যেমন- ড্রাইভার, ড্রাম (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
73. ড়্গ = ড় + গ; যেমন- খড়্‌গ
74. ঢ্য = ঢ + য; যেমন- ধনাঢ্য
75. ঢ্র = ঢ + র; যেমন- মেঢ্র (ত্বক) (মন্তব্য: অত্যন্ত বিরল)
76. ণ্ট = ণ + ট; যেমন- ঘণ্টা
77. ণ্ঠ = ণ + ঠ; যেমন- কণ্ঠ
78. ণ্ঠ্য = ণ + ঠ + য; যেমন- কণ্ঠ্য
79. ণ্ড = ণ + ড; যেমন- গণ্ডগোল
80. ণ্ড্য = ণ + ড + য; যেমন- পাণ্ড্য
81. ণ্ড্র = ণ + ড + র; যেমন- পুণ্ড্র
82. ণ্ঢ = ণ + ঢ; যেমন- ষণ্ঢ
83. ণ্ণ = ণ + ণ; যেমন- বিষণ্ণ
84. ণ্ব = ণ + ব; যেমন- স্হাণ্বীশ্বর
85. ণ্ম = ণ + ম; যেমন- চিণ্ময়
86. ণ্য = ণ + য; যেমন- পূণ্য
87. ৎক = ত + ক; যেমন- উৎকট
88. ত্ত = ত + ত; যেমন- উত্তর
89. ত্ত্ব = ত + ত + ব; যেমন- সত্ত্ব
90. ত্ত্য = ত + ত + য; যেমন- উত্ত্যক্ত
91. ত্থ = ত + থ; যেমন- অশ্বত্থ
92. ত্ন = ত + ন; যেমন- যত্ন
93. ত্ব = ত + ব; যেমন- রাজত্ব
94. ত্ম = ত + ম; যেমন- আত্মা
95. ত্ম্য = ত + ম + য; যেমন- দৌরাত্ম্য
96. ত্য = ত + য; যেমন- সত্য
97. ত্র = ত + র যেমন- ত্রিশ, ত্রাণ
98. ত্র্য = ত + র + য; যেমন- বৈচিত্র্য
99. ৎল = ত + ল; যেমন- কাৎলা
100. ৎস = ত + স; যেমন- বৎসর, উৎসব
101. থ্ব = থ + ব; যেমন- পৃথ্বী
102. থ্য = থ + য; যেমন- পথ্য
103. থ্র = থ + র; যেমন- থ্রি (three) (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
104. দ্গ = দ + গ; যেমন- উদ্গম
105. দ্ঘ = দ + ঘ; যেমন- উদ্ঘাটন
106. দ্দ = দ + দ; যেমন- উদ্দেশ্য
107. দ্দ্ব = দ + দ + ব; যেমন- তদ্দ্বারা
108. দ্ধ = দ + ধ; যেমন- রুদ্ধ
109. দ্ব = দ + ব; যেমন- বিদ্বান
110. দ্ভ = দ + ভ; যেমন- অদ্ভুত
111. দ্ভ্র = দ + ভ + র; যেমন- উদ্ভ্রান্ত
112. দ্ম = দ + ম; যেমন- ছদ্ম
113. দ্য = দ + য; যেমন- বাদ্য
114. দ্র = দ + র; যেমন- রুদ্র
115. দ্র্য = দ + র + য; যেমন- দারিদ্র্য
116. ধ্ন = ধ + ন; যেমন- অর্থগৃধ্নু
117. ধ্ব = ধ + ব; যেমন- ধ্বনি
118. ধ্ম = ধ + ম; যেমন- উদরাধ্মান
119. ধ্য = ধ + য; যেমন- আরাধ্য
120. ধ্র = ধ + র; যেমন- ধ্রুব
121. ন্ট = ন + ট; যেমন- প্যান্ট (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
122. ন্ট্র = ন + ট + র; যেমন- কন্ট্রোল (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
123. ন্ঠ = ন + ঠ; যেমন- লন্ঠন
124. ন্ড = ন + ড; যেমন- গন্ডার, পাউন্ড
125. ন্ড্র = ন + ড + র; যেমন- হান্ড্রেড
126. ন্ত = ন + ত; যেমন- জীবন্ত
127. ন্ত্ব = ন + ত + ব; যেমন- সান্ত্বনা
128. ন্ত্য = ন + ত + য; যেমন- অন্ত্য
129. ন্ত্র = ন + ত + র; যেমন- মন্ত্র
130. ন্ত্র্য = ন + ত + র + য; যেমন- স্বাতন্ত্র্য
131. ন্থ = ন + থ; যেমন- গ্রন্থ
132. ন্থ্র = ন + থ + র; যেমন- অ্যান্থ্রাক্স (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
133. ন্দ = ন + দ; যেমন- ছন্দ
134. ন্দ্য = ন + দ + য; যেমন- অনিন্দ্য
135. ন্দ্ব = ন + দ + ব; যেমন- দ্বন্দ্ব
136. ন্দ্র = ন + দ + র; যেমন- কেন্দ্র
137. ন্ধ = ন + ধ; যেমন- অন্ধ
138. ন্ধ্য = ন + ধ + য; যেমন- বিন্ধ্য
139. ন্ধ্র = ন + ধ + র; যেমন- রন্ধ্র
140. ন্ন = ন + ন; যেমন- নবান্ন
141. ন্ব = ন + ব; যেমন- ধন্বন্তরি
142. ন্ম = ন + ম; যেমন- চিন্ময়
143. ন্য = ন + য; যেমন- ধন্য
144. প্ট = প + ট; যেমন- পাটি-সাপ্টা, ক্যাপ্টেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
145. প্ত = প + ত; যেমন- সুপ্ত
146. প্ন = প + ন; যেমন- স্বপ্ন
147. প্প = প + প; যেমন- ধাপ্পা
148. প্য = প + য; যেমন- প্রাপ্য
149. প্র = প + র; যেমন- ক্ষিপ্র
150. প্র্য = প + র + য; যেমন- প্র্যাকটিস (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
151. প্ল = প + ল; যেমন-আপ্লুত
152. প্স = প + স; যেমন- লিপ্সা
153. ফ্র = ফ + র; যেমন- ফ্রক, ফ্রিজ, আফ্রিকা, রেফ্রিজারেটর (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
154. ফ্ল = ফ + ল; যেমন- ফ্লেভার (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
155. ব্জ = ব + জ; যেমন- ন্যুব্জ
156. ব্দ = ব + দ; যেমন- জব্দ
157. ব্ধ = ব + ধ; যেমন- লব্ধ
158. ব্ব = ব + ব; যেমন- ডাব্বা
159. ব্য = ব + য; যেমন- দাতব্য
160. ব্র = ব + র; যেমন- ব্রাহ্মণ
161. ব্ল = ব + ল; যেমন- ব্লাউজ
162. ভ্ব =ভ + ব; যেমন- ভ্বা
163. ভ্য = ভ + য; যেমন- সভ্য
164. ভ্র = ভ + র; যেমন- শুভ্র
165. ম্ন = ম + ন; যেমন- নিম্ন
166. ম্প = ম + প; যেমন- কম্প
167. ম্প্র = ম + প + র; যেমন- সম্প্রতি
168. ম্ফ = ম + ফ; যেমন- লম্ফ
169. ম্ব = ম + ব; যেমন- প্রতিবিম্ব
170. ম্ব্র = ম + ব + র; যেমন- মেম্ব্রেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
171. ম্ভ = ম + ভ; যেমন- দম্ভ
172. ম্ভ্র = ম + ভ + র; যেমন- সম্ভ্রম
173. ম্ম = ম + ম; যেমন- সম্মান
174. ম্য = ম + য; যেমন- গ্রাম্য
175. ম্র = ম + র; যেমন- নম্র
176. ম্ল = ম + ল; যেমন- অম্ল
177. য্য = য + য; যেমন- ন্যায্য
178. র্ক = র + ক; যেমন - তর্ক
179. র্ক্য = র + ক + য; যেমন- অতর্ক্য (তর্ক দিয়ে যার সমাধান হয় না)
180. র্গ্য = র + গ + য; যেমন - বর্গ্য (বর্গসম্বন্ধীয়)
181. র্ঘ্য = র + ঘ + য; যেমন- দৈর্ঘ্য
182. র্চ্য = র + চ + য; যেমন- অর্চ্য (পূজনীয়)
183. র্জ্য = র + জ + য; যেমন- বর্জ্য
184. র্ণ্য = র + ণ + য; যেমন- বৈবর্ণ্য (বিবর্ণতা)
185. র্ত্য = র + ত + য; যেমন- মর্ত্য
186. র্থ্য = র + থ + য; যেমন- সামর্থ্য
187. র্ব্য = র + ব + য; যেমন- নৈর্ব্যক্তিক
188. র্ম্য = র + ম + য; যেমন- নৈষ্কর্ম্য
189. র্শ্য = র + শ + য; যেমন- অস্পর্শ্য
190. র্ষ্য = র + ষ + য; যেমন- ঔৎকর্ষ্য
191. র্হ্য = র + হ + য; যেমন- গর্হ্য
192. র্খ = র + খ; যেমন- মূর্খ
193. র্গ = র + গ; যেমন- দুর্গ
194. র্গ্র = র + গ + র; যেমন- দুর্গ্রহ, নির্গ্রন্হ
195. র্ঘ = র + ঘ; যেমন- দীর্ঘ
196. র্চ = র + চ; যেমন- অর্চনা
197. র্ছ = র + ছ; যেমন- মূর্ছনা
198. র্জ = র + জ; যেমন- অর্জন
199. র্ঝ = র + ঝ; যেমন- নির্ঝর
200. র্ট = র + ট; যেমন- আর্ট, কোর্ট, কম্ফর্টার, শার্ট, কার্টিজ, আর্টিস্ট, পোর্টম্যানটো, সার্টিফিকেট, কনসার্ট, কার্টুন, কোয়ার্টার (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
201. র্ড = র + ড; যেমন- অর্ডার, লর্ড, বর্ডার, কার্ড (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
202. র্ণ = র + ণ; যেমন- বর্ণ
203. র্ত = র + ত; যেমন- ক্ষুধার্ত
204. র্ত্র = র + ত + র; যেমন- কর্ত্রী
205. র্থ = র + থ; যেমন- অর্থ
206. র্দ = র + দ; যেমন- নির্দয়
207. র্দ্ব = র + দ + ব; যেমন- নির্দ্বিধা
208. র্দ্র = র + দ + র; যেমন- আর্দ্র
209. র্ধ = র + ধ; যেমন- গোলার্ধ
210. র্ধ্ব = র + ধ + ব; যেমন- ঊর্ধ্ব
211. র্ন = র + ন; যেমন- দুর্নাম
212. র্প = র + প; যেমন- দর্প
213. র্ফ = র + ফ; যেমন- স্কার্ফ (মন্তব্য: মূলত ইংরেজি ও আরবী-ফার্সি কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
214. র্ভ = র + ভ; যেমন- গর্ভ
215. র্ম = র + ম; যেমন- ধর্ম
216. র্য = র + য; যেমন- আর্য
217. র্ল = র + ল; যেমন- দুর্লভ
218. র্শ = র + শ; যেমন- স্পর্শ
219. র্শ্ব = র+ শ + ব; যেমন- পার্শ্ব
220. র্ষ = র + ষ; যেমন- ঘর্ষণ
221. র্স = র + স; যেমন- জার্সি, নার্স, পার্সেল, কুর্সি (মন্তব্য: মূলত ইংরেজি ও আরবী-ফার্সি কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
222. র্হ = র + হ; যেমন- গার্হস্থ্য
223. র্ঢ্য = র + ঢ + য; যেমন- দার্ঢ্য (অর্থাৎ দৃঢ়তা)
224. ল্ক = ল + ক; যেমন- শুল্ক
225. ল্ক্য = ল + ক + য; যেমন- যাজ্ঞবল্ক্য
226. ল্গ = ল + গ; যেমন- বল্গা
227. ল্ট = ল + ট; যেমন- উল্টো
228. ল্ড = ল + ড; যেমন- ফিল্ডিং (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
229. ল্প = ল + প; যেমন- বিকল্প
230. ল্‌ফ = ল + ফ; যেমন- গল্‌ফ (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
231. ল্ব = ল + ব; যেমন- বিল্ব, বাল্ব
232. ল্‌ভ = ল + ভ; যেমন- প্রগল্‌ভ
233. ল্ম = ল + ম; যেমন- গুল্ম
234. ল্য = ল + য; যেমন- তারল্য
235. ল্ল = ল + ল; যেমন- উল্লাস
236. শ্চ = শ + চ; যেমন- পুনশ্চ
237. শ্ছ = শ + ছ; যেমন- শিরশ্ছেদ
238. শ্ন = শ + ন; যেমন- প্রশ্ন
239. শ্ব = শ + ব; যেমন- বিশ্ব
240. শ্ম = শ + ম; যেমন- জীবাশ্ম
241. শ্য = শ + য; যেমন- অবশ্য
242. শ্র = শ + র; যেমন- মিশ্র
243. শ্ল = শ + ল; যেমন- অশ্লীল
244. ষ্ক = ষ + ক; যেমন- শুষ্ক
245. ষ্ক্র = ষ + ক + র; যেমন- নিষ্ক্রিয়
246. ষ্ট = ষ + ট; যেমন- কষ্ট
247. ষ্ট্য = ষ + ট + য; যেমন- বৈশিষ্ট্য
248. ষ্ট্র = ষ + ট + র; যেমন- রাষ্ট্র
249. ষ্ঠ = ষ + ঠ; যেমন- শ্রেষ্ঠ
250. ষ্ঠ্য = ষ + ঠ + য; যেমন- নিষ্ঠ্যূত
251. ষ্ণ = ষ + ণ; যেমন- কৃষ্ণ
252. ষ্প = ষ + প; যেমন- নিষ্পাপ
253. ষ্প্র = ষ + প + র; যেমন- নিষ্প্রয়োজন
254. ষ্ফ = ষ + ফ; যেমন- নিষ্ফল
255. ষ্ব = ষ + ব; যেমন- মাতৃষ্বসা
256. ষ্ম = ষ + ম; যেমন- উষ্ম
257. ষ্য = ষ + য; যেমন- শিষ্য
258. স্ক = স + ক; যেমন- মনোস্কামনা
259. স্ক্র = স + ক্র; যেমন- ইস্ক্রু (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
260. স্খ = স + খ; যেমন- স্খলন
261. স্ট = স + ট; যেমন- স্টেশন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
262. স্ট্র = স + ট্র; যেমন- স্ট্রাইক (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
263. স্ত = স + ত; যেমন- ব্যস্ত
264. স্ত্ব = স + ত + ব; যেমন- বহিস্ত্বক
265. স্ত্য = স + ত + য; যেমন-অস্ত্যর্থ
266. স্ত্র = স + ত + র; যেমন- স্ত্রী
267. স্থ = স + থ; যেমন- দুঃস্থ
268. স্থ্য = স + থ + য; যেমন- স্বাস্থ্য
269. স্ন = স + ন; যেমন- স্নান
270. স্প = স + প; যেমন- আস্পর্ধা
271. স্প্র = স + প +র; যেমন- স্প্রিং (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
272. স্প্‌ল = স + প + ল; যেমন- স্প্‌লিন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
273. স্ফ = স + ফ; যেমন- আস্ফালন
274. স্ব = স + ব; যেমন- স্বর
275. স্ম = স + ম; যেমন- স্মরণ
276. স্য = স + য; যেমন- শস্য
277. স্র = স + র; যেমন- অজস্র
278. স্ল = স + ল; যেমন- স্লোগান
279. হ্ণ = হ + ণ; যেমন- অপরাহ্ণ
280. হ্ন = হ + ন; যেমন- চিহ্ন
281. হ্ব = হ + ব; যেমন- আহ্বান
282. হ্ম = হ + ম; যেমন- ব্রাহ্মণ
283. হ্য = হ + য; যেমন- বাহ্য
284. হ্র = হ + র; যেমন- হ্রদ
285. হ্ল = হ + ল; যেমন- আহ্লাদ


মন্তব্য

১) র্য-কে যুক্তবর্ণ ধরা হয়েছে, কেননা এটি র ও য-এর সমষ্টি। অন্যদিকে র‌্যাব, র‌্যাম, র‌্যাঁদা, ইত্যাদিতে উপস্থিত র‌্য-কে যুক্তবর্ণ হিসেবে ধরা হয়নি, কেননা এটি আসলে র‌্যা-এর অংশ, আর র‌্যা হল র ব্যঞ্জনধ্বনি এবং অ্যা স্বরধ্বনির মিলিত রূপ।

Friday, October 24, 2008

আই অ্যাম লিজেন্ড




সম্প্রতি আই অ্যাম লিজেন্ড ছবিটি দেখার সুযোগ হল । ২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রটি দেখে বেশ ভালো লেগেছে বলতে হবে । মুখ্য ভূমিকায় উইল স্মিথের অভিনয় যথাযথ ।

সিনেমাটির শুরুতে দেখানো হয় টিভিতে ইন্টারভিউতে এক বিজ্ঞানী বলছেন যে তিনি ক্যান্সারের প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছেন এবং এতে সাফল্যের পরিমান একশো শতাংশ । তারপরেই তিন বছর বাদের নিউইয়র্ক শহর দেখানো হয় । পুরোপুরি ফাঁকা এক নিস্তব্ধ শহর । রাস্তা জুড়ে গাড়ির সারি কোথাও কোনো জনপ্রানীর চিহ্ণ নেই । শহরের বুকে ছুটে বেড়াচ্ছে হরিণের দল । আর তাদের তাড়া করে ফিরছে সিংহ । পুরো শহরে একজন মাত্র সুস্থ জীবিত মানুষ রবার্ট নেভিল (উইল স্মিথ) । তার একমাত্র সঙ্গী তার পোষা অ্যালসেসিয়ান কুকুরটি ।

ক্যান্সারের প্রতিষেধক বলে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিঙের সাহায্যে যে ভাইরাসটি তৈরি করা হয়েছিল তার সংক্রমনের ফলে পৃথিবীর নব্বই শতাংশ মানুষ আগেই মৃত । আর যে মানুষেরা সংক্রমিত হয়ে মারা যায়নি তারা পরিণত হয়েছে ভয়ানক জম্বি রাক্ষসে । এর বাইরে খুব অল্প সংখ্যক মানুষই বেঁচে আছে ।
এর পর কিভাবে সিনেমার নায়ক বিভিন্ন বিপদের সম্মুখীন হবে এবং অবশেষে এই ভয়ানক ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার করবে তা নিয়েই এগিয়েছে গল্প ।

অ্যাপোক্যালিপ্টিক থিম নিয়ে এর মধ্যে অনেকগুলি ছবিই দেখা হয়েছে । যেমন টুয়েন্টি এইট ডেজ ল্যাটার, টুয়েন্টি এইট উইকস ল্যাটার, ডুমসডে, প্রভৃতি এগুলির মধ্যে আই অ্যাম লিজেন্ড ছবিটিকেই সব থেকে ভালো বলে মনে হল । স্পেশাল এফেক্টের সাহায্যে যেভাবে ফাঁকা নিউইয়র্ক শহর দেখানো হয়েছে তা প্রশংসা যোগ্য । তবে টুয়েন্টি এইট উইকস ল্যাটার ছবিতে এরকমই ফাঁকা লণ্ডন শহরে দেখানো হয়েছিল যেটাও বেশ ভালো লেগেছিল ।

সিনেমাটির রেটিং এ দশে সাত দেওয়া যেতেই পারে ।