Showing posts with label প্রতিবাদ. Show all posts
Showing posts with label প্রতিবাদ. Show all posts

Sunday, November 11, 2007

নন্দীগ্রামে সুপরিকল্পিত গণহত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ



নৃশংসতা এবং বর্বরতার দিক থেকে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং সিপিএম সমস্ত সীমার উর্দ্ধে চলে গেছে । সমস্ত সরকারি প্রশাসনকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে বসিয়ে রেখে নন্দীগ্রামকে তারা পরিণত করেছে এক রণক্ষেত্র এবং বধ্যভূমিতে ।

অসভ্য ইতর বর্বর এবং গণহত্যা ও ধর্ষনকারী এই সরকার এবং পার্টির নিন্দার জন্য আজ কোন কথাই যথেষ্ট নয় । ধিক্কার জানাই সেই সব বুদ্ধিজীবিদের যাঁরা এখনও সরকারী আমন্ত্রনে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উৎসবে মেতে আছেন ।

Friday, August 10, 2007

তসলিমা নাসরিনের উপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাই ।


অন্ধ্রপ্রদেশের হায়দ্রাবাদে একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে কিছু বদমাইশ তসলিমা এবং অনুষ্ঠানের আয়োজকদের উপরে হামলা চালিয়েছে । হয়ত তসলিমার লেখালেখি তাদের পছন্দ নয় কিন্তু তার মানে এই নয় যে তারা যা ইচ্ছা তাই করতে পারে । এই সব বদমাইশ ভাবছে যে এই ভাঙচুর করে তারা তাদের ধর্মের মান বাঁচাচ্ছে । কিন্তু এতে আরো হিতে বিপরীত হল । তসলিমা লেখালেখির মাধ্যমে নিজের মত প্রকাশ করেছেন তাই কেউ যদি তার প্রতিবাদ করতে চায় তবে তাও লেখালেখির মাধ্যমেই করা উচিত । এভাবে অসামাজিক কাজকর্ম করে নয় ।

Saturday, March 17, 2007

নন্দীগ্রাম নিয়ে আর কিই বা লেখার থাকতে পারে ।



নন্দীগ্রাম নিয়ে কি লিখব । লেখার আর কি বা থাকতে পারে । এই ব্লগে লিখে আর কি বা হবে, যারা প্রাণ হারিয়েছে তাদের তো আর ফিরিয়ে আনা যাবে না ।

দেশের উন্নতি শিল্পায়ন কাদের জন্য, কিসের জন্য মানুষের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করে তাদের কে ঠান্ডা মাথায় খুন করে এই শিল্পায়ন কাদের স্বার্থে । প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু একবার বিজেপি সরকারকে বলেছিলেন অসভ্য বর্বর । এখন আমাদের বামফ্রন্ট সরকারকে তিনি কি বলেন তা জানতে ইচ্ছা করছে ।

আমার মনে হয় অসভ্য বর্বরতার চরম পর্যায়ে পৌছে যাওয়া এই সরকারের ক্ষমতায় থাকার আর কোনো অধিকার নেই তা যতই ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসুক না কেন । মনে রাখতে হবে হিটলার নরেন্দ্র মোদী জর্জ বুশ এবং বুদ্ধদেব ভট্টাচার্ষ সবাই বিপুল ভোটে জিতে ক্ষমতায় এসেছিলেন । আমার চোখে তো এখন এখন এদের মধ্যে কোন পার্থক্য দেখতে পাচ্ছি না । খালি এদের বর্বরতার মাপটা আলাদা ।

আমার মনে হয় যে সিপিএম নেতারা এই গণহত্যার প্ল্যান করেছিলেন তাঁরা কি করে রাত্রে ঘুমোতে যাবেন ।

শিক্ষিত প্রাজ্ঞ ভদ্র বুদ্ধদেবের সাদা পোশাকের পিছনে কি ভয়াবহ একজন রাক্ষস লুকিয়ে আছে তা ভেবেও কষ্ট হচ্ছে ।

আজকে ফ্রন্টের বৈঠকে বুদ্ধদেব স্বীকার করছেন যে এই ঘটনার জন্য দায়ী তিনি । তিনিই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পুলিশ পাঠানোর । তাতে আবার বামফ্রন্টের শরিকরা বলছেন তাঁরা বুদ্ধদেবের সত্যবাদীতায় এবং সাহসে খুশি ।

আশ্চর্যের ব্যাপার এতে খুশি হবার কি আছে ! কেউ যদি একটা খুন করে গলা ফাটিয়ে বলে যে আমি খুন করেছি তাহলে কি আমরা তার সত্যবাদীতায় খুশি হয়ে বলব দেখ লোকটা কি সত্যবাদী আর সাহসী ।

আমার সরাসরি বক্তব্য হল এই যে যদি বুদ্ধদেব নন্দীগ্রামের গণহত্যার জন্য দায়ী বলে নিজেই স্বীকার করে থাকেন তাহলে কেন তাঁকে গ্রেপ্তার করে কাঠগড়ায় তোলা হবে না । কেন তাঁর বিচার হবে না । কেন তিনি এখনও মুখ্যমন্ত্রীর পদ আঁকড়ে থাকবেন । আমরা তো কোন খুনি অপরাধীকে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বলে দেখতে চাই না ।

সিবিআই তদন্ত হচ্ছে । কিন্তু তাতে কিছুই প্রমান হবে না । আরও পাঁচজন অপরাধী রাজনীতিকের মত বুদ্ধদেবও আইনের হাতকে সহজেই ফাঁকি দেবেন ।

তাই এখন থেকে সুরুচিবান ভদ্র অমায়িক সংস্কৃতিবান প্রভৃতি বিশেষণের সাথে সাথে বুদ্ধদেবের আগে আরো একটা বিশেষণ যোগ হবে ।

সেটা হল খুনি

Saturday, January 27, 2007

বাংলাদেশে ব্লগের উপর নিয়ন্ত্রন আরোপের প্রতিবাদ জানাই



বাংলাদেশের বিখ্যাত ব্লগিং সাইট সামহোয়্যারইন (http://www.somewhereinblog.net/) ব্লগ খুললেই ভেসে উঠছে :-


the government has requested through emergency power rules that no news against the government shall be published in any media. Until proper moderations is in place the somewhereinblog will not display any new posting on frontpage but in personal blogs. The full responsibility for any post lies with the blogger. In case of request from high-authority we will be bound to provide all informations of any blogger violating the rules. you can still log into your personal blog and maintain that according to this rule.

অবশেষে পাকিস্তান এবং ভারতের পর বাংলাদেশও ব্লগের উপর নিয়ন্ত্রন আরোপ করে বুঝিয়ে দিল যে তারাও বাকস্বাধীনতার শত্রু । আসুন আমরা সবাই সামহোয়্যারইনে তো বটেই যাদের অন্য জায়গায় ব্লগ আছে সেখানেও প্রতিবাদ করে পোস্ট দিই । তাহলে এই ব্লকের খবর সারা পৃথিবীর কাছে পৌছতে পারবে ।

বাংলাদেশ সরকারের এই ঘৃণ্য সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মুখরিত হোক গোটা বিশ্ব ।

Friday, July 21, 2006

ভারতে ব্লগ ব্যান অবশেষে উঠল

ভারতে ব্লগ ব্যান অবশেষে উঠে গেল । সমস্ত ব্লগস্পট ব্লগ গুলি আবার দেখা যাচ্ছে । যে সমস্ত ব্লগ এবং ওয়েবসাইটগুলিকে ব্যান করা হয়েছিল সেগুলো আবার দেখা যাচ্ছে । যেমন Hinduunity.org আবার আগের মতই খুলছে । এই কয়েকদিনের ব্যানে কাজের কাজ কিছুই হল না খালি ভারত সরকারকে কিছু গালাগালি হজম করতে হল । দেশের ভিতরে এবং বাইরে থেকে প্রবল চাপের ফলেই যে ভারত সরকারকে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হল তাতে কোন সন্দেহ নেই । ভারত সরকার যে সমস্ত সাইট গুলোকে আটকেছিল সেগুলোতে প্রবলভাবে ভারত বিরোধী আর দেশের নিরাপত্তার পক্ষে ক্ষতিকর এমন একেবারেই নয় । এদের সাথে উগ্রপন্থার কোন সম্পর্ক নেই । যেমন rahulyadav.com এক আমেরিকান হিন্দু ছাত্রের ওয়েবসাইট । সে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্য । তার ওয়েবসাইটে এমন কিছুই বক্তব্য নেই যে সাইটটিকে ব্যান করতে হবে । খালি কয়েকটি হিন্দুপন্থী সংগঠন যেমন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের লিঙ্ক দেয়া আছে । কয়েকটি সাইটের সাথে ধর্ম বা উগ্রপন্থার কোন সম্পর্কই নেই সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সাইট । তাও তাদের ব্যান করা হয়েছিল ।

বর্তমান কেন্দ্রীয় কংগ্রেস সরকার সবদিক থেকই ক্রমশ অযোগ্য প্রমানিত হচ্ছে । বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তারা অল্পবয়েসী নাগরিকদের খেপিয়ে তুলছে । কংগ্রেস সরকারের এই আচরন যে তাদের পক্ষেই কতটা খারাপ হচ্ছে তা তারা নিজেরাই বুঝছে না । শিবরাজ পাতিল এবং অর্জুন সিংয়ের মত সম্পূর্ণ ব্যর্থ মন্ত্রীকে এখনও রাখা হয়েছে । কংগ্রেসের উচিত এদের এক্ষুনি তাড়ানো । নেহরু গান্ধী পরিবারের ধামাধরা কংগ্রেসের যোগ্যতা যে কতটা তা অনেক আগেই প্রমান হয়ে গেছে । গত ঊনষাট বছরের বেশিরভাগ সময়েই ক্ষমতা তাদের হাতে ছিল এবং তারা ভারতের সেরকম কোন উন্নতি করতে পারে নি । গান্ধীজীর মতানুযায়ী উচিত ছিল স্বাধীনতার পরেই কংগ্রেস পার্টিকে তুলে দেওয়া । এই কংগ্রেস সরকার আবার দেশকে নিচের দিকে টেনে নামাতে চাইছে নতুন করে সংরক্ষন চালু করে এবং ইন্দিরা গান্ধীর ঘৃণ্য জরুরি অবস্থা আবার ফিরিয়ে এনে । কংগ্রেস আসলে নেহেরু গান্ধী পরিবারের পা চাটা কুকুর ছাড়া আর কিছু নয় । মনমোহন সিং শিক্ষিত এবং ভদ্র একজন মানুষ, কিন্তু আমার মনে হয় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তিনি চরম ব্যর্থ এবং সোনিয়া গান্ধীর হাতের পুতুল । তাঁর উচিত অবিলম্বে ইস্তফা দেওয়া ।

বাকস্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপকারী কংগ্রেস সরকার নিপাত যাক !

অবিলম্বে ভারতে ব্লগের উপর ব্যান তোলা হোক

আজও স্বাভাবিকভাবে কোন ব্লগস্পট ব্লগ খোলা যাচ্ছে না । গতকাল দেখলাম ভারত সরকার মাত্র সতেরোটি সাইটকে ব্লক করতে বলেছে । কিন্তু আইএসপি রা পুরো ব্লগ পোর্টাল কেই আটকে বসে আছে । ভারত সরকার যে সতেরোটি ব্লগকে আটকাতে বলেছে সেই গোপনীয় চিঠিটির স্ক্যান করা কপি ইন্টারনেটে এসে গেছে । এবং মজার ব্যাপার হল সাইটগুলি বিভিন্ন প্রক্সি সাইট ব্যবহার করে সহজে খোলাও যাচ্ছে । তার মানে হল এই সাইট আটকানোর ব্যাপারটা আসলে একটা ছেলেমানুষি ছাড়া আর কিছু নয় । যারা এগুলো দেখবার তারা এগুলো ঠিকই দেখবে । এবং আমার মত যারা আগে এই সাইটগুলির নামও শোনেনি তারাও এই সাইটগুলি দেখত উৎসাহী হবে । বলা যেতে পারে ভারতে এই সাইটগুলির দর্শক আরো বেড়ে যাবে । ঠিক এই ব্যাপারটাই হয় যখন সরকার কোনো বই বা সিনেমাকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করে । এইরকম ঘটেছিল যখন এর আগে তসলিমা নাসরিনের লজ্জা এবং দ্বিখন্ডিত নিযিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছিল । এইসব বই গুলির নকল কপিতে দেশ ছেয়ে গিয়েছিল । আসলে এইভাবে কোন কিছুকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করে কাজের কাজ কিছুই হয় না ।

আমি পেশায় গ্রাফিক ডিজাইনার । আমার কাজের কিছু নমুনা একটি ব্লগস্পট ব্লগে রাখা আছে । ফ্রীল্যান্স কাজের সময় আমি ক্লায়েন্টকে ইউআরএল টা পাঠিয়ে দিই যাতে তারা আমার কাজের কিছু নমুনা দেখতে পারে । আজ তিনজন মেল করে জানিয়েছে যে তারা আমার ইউআরএলটা খুলতে পারছে না । এই ক্লায়েন্টের কাজগুলো যদি আমার হাত থেকে বেরিয়ে যায় তাহলে তার জন্য দায়ী কে ? এর ক্ষতিপূরন আমাকে কে দেবে ? ভারত সরকা র না ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার ? আমার মত আরো বহু মানুষ আছেন যাঁরা নানা ভাবে ব্লগগুলির উপর নির্ভর করেন । এরা প্রত্যেকেই নানা ভাবে অসুবিধার শিকার হচ্ছেন । বহু ছাত্রছাত্রীর পড়াশুনার ভীষন অসুবিধা হচ্ছে, কারন তাঁরা পড়াশুনার জন্য নানা ব্লগের সাহায্য নেন । বহু সাংবাদিক এবং সমাজসেবী নিজেদের ব্লগ আপডেট করতে পারছেন না । মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন নানা প্রকারের তথ্য থেকে । অনেক ছোট কোম্পানি নিজেদের সম্পর্কে তথ্য রাখেন এই ফ্রী ব্লগ গুলিতে । তাঁদের ব্যবসাও মার খাচ্ছে । আর সবার পক্ষে জানা সম্ভব নয় কিভাবে প্রক্সির মাধ্যমে ব্লগগুলিকে দেখা যায় ।

তাই আমার দাবি অবিলম্বে ভারতে এই ব্লগের উপর ব্যান তোলা হোক । এবং এইরকম লজ্জাজনক কাজ করার জন্য এবং সাধারন মানুষের অসুবিধা করবার জন্য ভারত সরকারের উচিত দুঃখপ্রকাশ করা ।

Wednesday, July 19, 2006

ভারতও শেষ অবধি বিভিন্ন ব্লগ সাইট ব্যান করল

কিছু দিন আগে পাকিস্তান ব্লগার ডট কমে হোস্ট করা সমস্ত ব্লগ ব্যান করেছিল । এবার মুম্বাই ট্রেন বিস্ফোরনের পর ভারতও বেশ কিছু ব্লগ সাইট ব্যান করেছে । ব্যান করা সাইট গুলোর ভিতর রয়েছে । ব্লগস্পট ডট কম, টাইপপ্যাড ডট কম, ব্লগস ডট কম, জিওসিটিজ ডট কম প্রভৃতি ।
ধরেই আমার কম্পিউটারে সরাসরি কোন ব্লগস্পট ব্লগ খুলছিল না । আমি ভেবেছিলাম হয়ত এটা আমার লোকাল কেবল অপারেটরের প্রবলেম । আমি pkblogs.com এবং proxywebsite.com ব্যবহার করে সহজেই ব্লগ গুলিকে খুলতে পারছিলাম । আজ দেখলাম ভারত সরকার সব ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারকে নির্দেশ দিয়েছে বেশ কিছু ব্লগকে আটকাতে । কিন্তু ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডাররা কয়েকটি ব্লগ আটকানোর প্রকৌশলী বুদ্ধি (অথবা ইচ্ছা) না থাকায় পুরো ব্লগ হোস্টিং সাইটগুলিকেই আটকিয়ে দিয়েছে ।
ভারতে বহু মানুষ এখন ব্লগিং করছেন । তাঁদের মধ্যে বহু উচ্চশিক্ষিত মানুষ যেমন আছেন তেমনি বহু সাধারন মানুষও আছেন । তাঁদের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করে ভারত সরকার বাক স্বাধীনতার উপরে চরম আঘাত করেছে । ভারত সরকারের এই নেতিবাচক সিদ্ধান্তকে চরম ধিক্কার জানাই ।
কিন্তু ভারত সরকারের এই চেষ্টা যে বিফলে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই । কারন এখনও বহু উপায় রয়েছে যার সাহায্যে এই ব্লগ গুলিকে সহজেই দেখা যাবে । যার মধ্যে রয়েছে প্রক্সি ওয়েবসাইট ব্যবহার করা, গুগুলের ওয়েব পেজ ট্রান্সলেসন পদ্ধতি দিয়ে ইংরাজি থেকে ইংরাজিতে পেজ অনুবাদ করে দেখা , অ্যাডোবের সরাসরি ওয়েব পেজকে পিডিএফএ রুপান্তরিত করে দেখা ইত্যাদি । এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে গুগুলে একটু খোঁজ করলেই অনেক কিছু জানতে পারবেন ।
এরফলে সাধারন মানুষকে ব্লগ দেখা পোস্ট করা আর পড়া থেকে নিরস্ত করতে করতে গিয়ে ভারত সরকার নির্বোধের মত আচরন করছে । আর তার প্রমান করছে যে তারা আসলে পাকিস্তান সরকারেরই জাতভাই ।
এইসমস্ত ব্লক করা ব্লগের ভিতর বহু ব্লগ আছে যারা মুম্বাই বিস্ফোরনের বিরুদ্ধে বহু কথা লিখেছে । বেশ কিছু ব্লগ বিস্ফোরনের পরবর্তী খবর নিয়মিত দিয়ে সাধারন মানুষের বহু উপকার করেছে । আর যদি কোন ওয়েবসাইটে ভারত বিরোধী কোন লেখা প্রকাশিত হয়ে থাকে ভারত সরকারের উচিত তাকে ব্লক না করে ভারতীয় ব্লগারদের সুযোগ দেওয়া যাতে তারা কাউন্টার অ্যাটাকের মাধ্যমে সেই ব্লগের বিরোধীতা করতে পারে ।
এইভাবে হাজার হাজার ভারতীয় ব্লগারকে চরম অপমান করল বর্তমান ভারত সরকার । এর আগে সংরক্ষনের প্রশ্নে প্রচুর ব্লগারের নিন্দার শিকার তারা হয়েছে । মনে হচ্ছে তারা ভারতে আবার ইন্দিরা গান্ধীর কলঙ্কজনক সেই জরুরি অবস্থা আবার চালাতে চাইছে ।
আমি ভারতে বসেই আমার ব্লগ আপডেট করব আর অন্যদের ব্লগও পড়ব । আপনি যদি ভারতের বাইরে থেকে আমার ব্লগ দেখেন তবে অনুগ্রহ করে আপনাদের ভারতীয় বন্ধুদের এ সম্পর্কে জানান আর এটাও জানান যে কিভাবে তারা এই ব্লক সাইট গুলি দেখতে পারেন ।
ভারত সরকারের এই ওয়েব সাইট ব্যানের প্রতিবাদ আমাদের করতেই হবে । মনে হচ্ছে আগামী নির্বাচনে আমাদেরই এই সরকারকে ব্যান করতে হবে । আমাদের সরকারের এই আচরনে আমি ক্ষুব্ধ, দুঃখিত, বিরক্ত, লজ্জিত, হতাশ । কিছু অশিক্ষিতের হাতে আমাদের দেশ যারা বাকস্বাধীনতার কোন মর্মই বোঝে না ।
আবারও চরম ধিক্কার জানাই ভারত সরকারের এই লজ্জাজনক সিদ্ধান্তকে ।

Sunday, May 28, 2006

ভারতে সংরক্ষনের কুফল

এরপর তো বেসরকারী চাকরিতেও সংরক্ষনের চেষ্টা করা হচ্ছে । তার মানে ভারতে বেশ কিছু লোক জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সব জায়গাতেই সংরক্ষন পাবে । গত পঞ্চাশ বছরে সংরক্ষনের ফলে কোনো লাভই হয় নি । সেই ভুল ঢাকার জন্য আবার সংরক্ষন করা হচ্ছে । আর জাত পাতের ভিত্তিতে সংরক্ষন আরো মারাত্মক ব্যাপার । সংরক্ষন হওয়া উচিত আর্থিক অবস্থার উপরে ।
তবে যারা আন্দোলন করছে তারা সবাই যে ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষার জন্য করছে এ আমার মনে হয় না । আমি তাদের বক্তব্য শুনেছি । তাদের কথায় যথেষ্ট যুক্তি আছে । জাতপাতের রাজনীতি পুরোদমে চালু করে মহাত্মা গান্ধীর কংগ্রেস মহাত্মাকেই উড়িয়ে দিয়ে দেশকে রসাতলে নিয়ে যেতে চাইছে । সাধে কি আর মহাত্মা গান্ধী দেশ স্বাধীন হবার পর কংগ্রসেকে উঠিয়ে দিতে চেয়েছিলেন ।

সংরক্ষন বিষয়ে আমার প্রশ্নগুলো হল ।

(১) যে পরিবারের এক জেনারেশন আগে সংরক্ষনের ফলে চাকরি পেয়েছে সেই পরিবারের সন্তান কেন আবার সেই একই সুবিধা পাবে । কারন সেই পরিবার তো আর আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে নেই ।
(২) সংরক্ষন কেন জাত পাতের ভিত্তিতে হবে কেন শুধু অর্থনৈতিক অবস্থার ভিত্তিতে হবে না ।
(৩) উচ্চশিক্ষায় সংরক্ষন কেন করা হবে ? কেন এই পিছিয়ে পড়া ছাত্রদের প্রাইমারি স্কুল থেকেই যথাযথ শিক্ষার মাধ্যমে তৈরি করা হবে না যাতে তারা উচ্চশিক্ষায় বিশেষ সুবিধা ছাড়াই সবার সমান হতে পারে ।
(৪) গরীব উচ্চবর্ণের মানুষরা কেন বঞ্চিত হবেন। তাঁদের কি একটাই অপরাধ যে তাঁদের জন্ম উচ্চবর্ণে ।
(৫) গত পঞ্চাশ বছরে যখন সংরক্ষন নীতির ফলে কোনো উপকার হয়নি তখন কেন এই ভ্রান্ত নীতিকে চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে ।
(৬) পিছিয়ে পড়া অন্য ধর্মের মানুষদের জন্য কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে ?

ডঃ বি আর আম্বেদকর, মহাত্মা গান্ধী, বিবেকানন্দের ভারতে বর্তমানে যে শুধু ভোট টানার জন্যই এই সংরক্ষনের আয়োজন তা বুঝতে কারো বাকি নেই । এমনকি মানুষের মধ্যে সাম্যের কথা যারা প্রচার করে সেই কমিউনিস্টরাও একে সমর্থন করছে । ভারতীয় কমিউনিস্টদের দুমুখো নীতির এও আরেক প্রমান । আজও ভারতের হিন্দুদের মধ্যে পুরুষ ব্রাহ্মন ছাড়া আর কারো উপাসনার অধিকার নেই । শিক্ষিত মানুষেরাও বিয়ে করেন জাতপাত দেখে, এই সংরক্ষন ষে সেই জাতপাতকেই আরো উসকে তুলেবে তাতে কোন সন্দেহ নেই । আধুনিক প্রযুক্তির ভারত, সোনালী চর্তুভুজের ভারতের পিছনে তার অন্ধকার দিক এখনও কতটা শক্তিশালী তা আরো একবার প্রমান হল ।

সংরক্ষনের বিরুদ্ধে সরব হোন । প্রমান করুন আপনি দেশকে ভালোবাসেন ।

Thursday, May 11, 2006

পাকিস্তান blogspot.com কে ব্লক করেছে

আজ উইকিপিডিয়া ঘাঁটতে ঘাঁটতে হঠাৎ একটা খবর চোখে পড়ল । পাকিস্তান নাকি blogspot.com কে ব্লক করেছে । অর্থাৎ পাকিস্তান থেকে কোনো blogger.com এ হোস্ট করা ব্লগ দেখা যাবে না । কোনো কোনো ব্লগে নাকি ইসলাম বিরোধী কার্টুন ও লেখা প্রকাশিত হওয়াতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে । যেহেতু অধিকাংশ ব্লগস্পট ব্লগ গুলি একই সার্ভার থেকে চলে তাই এদের আইপি ঠিকানা এক । তাই মাত্র কয়েকটি ব্লগকে ব্লক করতে গিয়ে পাকিস্তান সরকার সমস্ত ব্লগস্পট ব্লগকেই আটকে দিয়েছে । এর ফলে বহু পাকিস্তানি ব্লগার আর ব্লগে পোস্ট করতে পারছেন না এবং তাঁরা কোনো ব্লগস্পট ব্লগও দেখতে পাচ্ছেন না ।
পৃথিবীর বহু দেশেরই সরকার দেশের মানুষের কাছে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতে চায় না । তারা সমস্ত মিডিয়াকেই সেন্সর করে দেশের মানুষের কাছে সত্যকে গোপন করতে চায় । কিন্তু ইন্টারনেটের যুগে তাদের এই সব চালাকি আর খাটে না । বাস্তবে যে কোনো ওয়েবসাইটকে কোনো ভাবেই যে আটকানো যায় না তা এরা বুঝতে পারে না । যেমন পাকিস্তান সরকারের এই গাধার মতো সিদ্ধান্তের মোকাবিলা করতে একটি প্রক্সি ওয়েবসাইট খোলা হয়েছে pkblogs.com । এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যেকোন ব্লগস্পট ব্লগকে দেখা সম্ভব । আর যদিও বা কোনোভাবে এই পাতা গুলোকে আটকানো যায় বিদেশে বসবাসরত কেউ যদি এগুলোকে ডাউনলোড করে তা মেল করে দেন দেশের বন্ধুর কাছে তা কি কোনো সরকারের পক্ষে আটকানো সম্ভব ।
আমাদের ভারত সরকারও অবশ্য এসবে কিছু কম যান না । তারা একসময় ফ্যাশন টিভির ওয়েবসাইটের থেকে সাম্বা নাচ ব্লক করেছিল । ভারত সরকার দ্বারা নিষিদ্ধ বহু বই খুব সহজেই ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে পড়া যায় ।
এছাড়া অন্যান্য দেশের ভিতর চীনও খুব চেষ্টা করছে ইন্টারনেটকে সেন্সর করার তারা কতটা পারে তা দেখার বিষয় । তবে আমাদের কাছে ইন্টারনেট সবসময়েই একটা উত্তেজক বিষয় কারন এখানেই পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবার মানুষ একটু স্বাধীনতা পেয়েছে । তা সে নিজের স্বাধীন মতামত দেওয়ার জন্যই হোক আর পর্ণোগ্রাফি দেখার জন্যই হোক ।