Showing posts with label হোটেল জোকস্. Show all posts
Showing posts with label হোটেল জোকস্. Show all posts

Friday, September 15, 2006

হোটেল জোকস্


খদ্দের : মেনুতে লিখেছে এটা চিকেন স্যান্ডউইচ । কিন্তু দুকামড় খেয়ে এখনও তো চিকেনের দেখা পেলাম না বাপু !

ব্য় : আর এক কামড় খেয়ে দেখুন তো ।

খদ্দের ( বড় এক কামড় দিয়ে চিবোতে চিবোতে ) : নাঃ এবারও পেলাম না ।

ব্য় : যাচ্চলে ! তাহলে আপনি ওটা পেরিয়ে এসেছেন ।


এক ক্ষুদ্র জনপদের ক্ষুদ্রতর রেস্তোঁরা । পরিশ্রান্ত এক পর্যটক সবে চেয়ারে এসে বসেছেন । অতি সংক্ষিপ্ত মেনু নেড়েচেড়ে দেখছেন তিনি, এমন সময় পরিবেশনকারিনী তাঁর সামনে এসে দাঁড়ালেন, প্রশ্ন করলেন, ‘আপনি কি ডিনার বিফ রোস্ট খেতে চান?’

না, পর্যটক উত্তর দিলেন ।

সেক্ষেত্রে, পরিবেশনকারিনীর উত্তর , ‘ডিনার ওখানেই শেষ !’


:: ওয়েটার, এখন যেটা খেলাম, সেটা কী ?

:: ঠিক বলতে পারব না, স্যার ! আমি আজই জয়েন করেছি !


:: ওয়েটার, এখানকার খাবারদাবার ভাল তো ?

:: বলতে পারছি না স্যার ! আমি কোনও দিন এই রেস্তোরাঁয় খাইনি !


খদ্দের কাউন্টারে দাম মেটাতে গেছেন । ম্যানেজার প্রশ্ন করেন, কী খেয়েছেন স্যার ? কফি না কোকো ?

আমি তো ঠিক বলতে পারছি না, খদ্দের বলেন, তবে জিনিসটা একেবারে অখাদ্য । কেমন টুথপেস্টের মতো লাগল ।

ওঃ ! তাহলে ওটা কফি স্যার ! দশ টাকা দেবেন । আমাদের কোকোর স্বাদ একেবারে গঁদের আঠার মতো !

Tuesday, September 05, 2006

হোটেল জোকস্ ২

খদ্দের : এই খাবারটা শুয়োরেরও উপযুক্ত নয় ।
ওয়েটার : একটু অপেক্ষা করুন স্যার ! খুঁজে দেখছি শুয়োরের উপযুক্ত খাবার মেলে কি না !

মাংস কাটতে গিয়ে এক ওয়েটারের হাতটা বিশ্রীভাবে কেটে গেল । যথারীতি সে ভর্তি হল স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে । ঘন্টার পর ঘন্টা সে টেবিলে শুয়ে রইল, কেউ তার পরিচর্যায় এল না । একজন ডাক্তারবাবু পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন । ওয়েটার চেঁচিয়ে বলল, ডাক্তারবাবু, আমাকে একটু দেখুন ! আমি এই টেবিলে তিন ঘন্টা পড়ে আছি !
ডাক্তারবাবু জবাব দিলেন, স্যরি ! এটা আমার টেবিল নয় ।

খদ্দের স্যুপের অর্ডার দিয়ে বসে আছেন তো আছেনই । স্যুপ আর আসে না । শেষ পর্যন্ত ম্যানেজারের কাছে গিয়ে তিনি বললেন, আচ্ছা, যে ওয়েটার প্রথমে আমার অর্ডার নিয়েছিল, সে কি তার উত্তরসুরির কাছে কোন বার্তা রেখে গেছে ?

ফ্যান্সি রেস্তোরায় অর্ডার দেবার সময় সতর্ক থাকবেন । খাবারের নামটা আপনি যদি উচ্চারন করতে না পারেন, তাহলে জানবেন ওটা অর্ডার দেবার মত রেস্ত আপনার পকেটে নেই !

এই অভিজাত রেস্তোরাঁয় দামটা বেশ চড়া । গ্যারন্টারের সই ছাড়া তারা বিলই দেয় না ।

এটা একেবারে হাই ক্লাস রেস্তোরাঁ । গ্রেভিটা বানায় আপনার শার্টের রঙের সঙ্গে ম্যাচ করে !

এই রেস্তোরাঁ সোমবার বন্ধ থাকে । কারণ সপ্তাহের এই একটা দিনেই ওরা সব বাসন-কোসন ধোয় !

রেস্তোরাঁ থেকে প্রায়ই কোট, হ্যাট, ছাতা চুরি যায় । কিন্তু এই রেস্তোরাঁয় খাবারের দাম এত বেশি যে কোট হ্যাট ছাতার দিকে নজর রাখার চেয়ে প্লেটের চপ-কাটলেটের দিকে নজর রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ !

খদ্দের : ওয়েটার, আমাকে আর মাশরুম দেবে না । গত সপ্তাহে আমার ফুড পয়জন হয়েছিল ।
ওয়েটার : বলেন কি স্যার ! তাহলে রাঁধুনির সঙ্গে বাজিটা ধরে আমি মোটেই ভুল করিনি !

আচ্ছা আপনি এই রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ঢুকলেন কি করে ?
আরে আমি কি ঢুকতে চেয়েছিলাম না কি ? একটা কুড়ি ডলারের নোট ভাঙাতে এসেছিলাম, আর ওরা আমাকে পার্টনার করে নিল ।

খদ্দের : এ তো ভয়াবহ খাবার ! আমি ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলতে চাই ।
ওয়েটার : দুঃখিত স্যার ! তিনি লাঞ্চের জন্য বেরিয়ে গেছেন !

Sunday, August 20, 2006

হোটেল জোকস্ ১

হোটেল ব্যবসায় ইদানিং এতই মন্দা চলছে যে হোটেল কর্তৃপক্ষ এখন অতিথিদের তোয়ালে চুরি করছেন ।

এমন আভিজাত্য কটা হোটেলে আছে ? যেসব লিফট বয় অতিথিদের উপরে নিয়ে যায় তাদের একরকম ইউনিফর্ম আবার যারা অতিথিদের নিচে নামিয়ে আনে, তাদের আলাদা ইউনিফর্ম ।

নতুন ফাইভ স্টার হোটেলটায় আমি চমৎকার একটা রুম আর বাথরুম পেয়েছিলাম । দুর্ভাগ্য, দুটো ছিল দুটো আলাদা বিল্ডিংয়ে ।

বিছানা এত শক্ত ছিল যে রাতে ঘুমোবার সময় দুবার আমাকে উঠতে হয়েছিল বিশ্রাম নেবার জন্য ।

দারুন অভিজাত হোটেল । কী বলব, লনড্রিতে পাঠাবার আগে জামাকাপড় কেচে পরিষ্কার করে নিতে হত ।

হ্যাঁ হোটেলে রানিং ওয়াটার পেয়েছিলাম । তবে কিনা সেই রানিং বন্ধ করা যায় নি ।

হ্যালো রুম সার্ভিস ? একটা তোয়ালে পাঠাতে পারেন ?
এক মিনিট স্যার ! একটাই তোয়ালে এই হোটেলে ! এই মূহুর্তে কেউ সেটা ব্যবহার করছেন ।

অতিথি : আপনাদের হোটেলের সাপ্তাহিক চার্জ কত ?
রিসেপশন : বলতে পারছি না ম্যাডাম ! আজ পর্যন্ত কেউ অতদিন থাকেনি এই হোটেলে ।

অতিথি : শুনেছি এ হোটেলে নাকি সব সময় ছাদের ফুটো দিয়ে জল পড়ে ?
রিসেপশন : মিথ্যা গুজব স্যার ! একমাত্র বৃষ্টির সময়েই অমনটা হয় ।

অতিথি : এই যে ৫২২ নম্বর ঘরটা দিয়েছেন, সেটায় তো কোন বাথরুম নেই । আমি তো একটা ঘর চেয়েছিলাম যেটা অ্যাটাচড বাথ হবে ।
রিসেপশন : দুঃখিত স্যার ! ঘর আর খালি নেই । তবে ৫২২ নম্বরটা কোনও ঘর নয় স্যার ! ওটা লিফট ।

রিসেপশন : বাইরের দিকের ঘর নেবেন, না ভেতরের দিকের ঘর, স্যার?
অতিথি : বাইরের দিকের । যে কোনও মূহুর্তে বৃষ্টি নামতে পারে ।

আপনি কি ওই হোটেলে অনেক সময় কাটিয়েছেন ?
না, খুব বেশী সময় নয় । ওদের রেট কত সেটা শোনার জন্য যেটুকু সময় লাগে !

অতিথি : আপনাদের হোটেলে গরম ও ঠান্ডা দুরকম জলের ব্যবস্থা আছে তো ?
রিসেপশন : হ্যাঁ স্যার । গ্রীষ্মে গরম আর শীতে ঠান্ডা ।

হোটেল ছেড়ে দিলেন কেন ?
কী বলব মশাই ! ওরা তিনটে মিল দেয় ঠিকই । তবে সোমবার ব্রেকফাস্ট, মঙ্গলবারে লাঞ্চ, আর বুধবারে সাপার !

রিসেপশন : শাওয়ার সহ একটা রুম দিই আপনাকে ?
অতিথি : আমার কিন্তু একটা বিছানার দরকার ছিল । আমি শাওয়ারে ঘুমোতে পারি না ।

অতিথি : ঘরে জলের ব্যবস্থা আছে তো ?
রিসেপশন : ছিল । কিন্তু মাস দুই আগে আমরা ছাদটা ঢালাই করতে পেরেছি !